Saturday October 19, 6554

উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অবনতি মধ্যাঞ্চলে

1114 উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অবনতি মধ্যাঞ্চলে

দেশের উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির আরও কিছুটা উন্নতি হয়েছে। বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ধারাবাহিক কমতে থাকায় পানিও নামতে শুরু করেছে। তবে পদ্মা নদীর পানি বাড়তে থাকায় দেশের দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. সাইফুল হোসেন আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী এক সপ্তাহে তেমন ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা না থাকায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির ধারা অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার তিনি আরো বলেন, ‘এখন যে হারে পানি কমছে, ২৫ তারিখ পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের যে প্রসপেক্ট আছে, সেখানে নতুন করে বন্যা হওয়ার মতো বৃষ্টিপাত দেখছি না আমরা। তাতে ৭-৮ দিনে পানি অনেক নেমে যাবে’।

এখনও উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপদসীমার এক মিটারের বেশি উপরে রয়েছে, ভারি বৃষ্টি না হলে সেটাও নেমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, পদ্মা অববাহিকায় এখনও বিভিন্ন পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেসব এলাকার পানি বেড়েছে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় পানি আরও বাড়তে পারে। ফলে মধ্যাঞ্চলে এসব এলাকার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৯ পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলের ধরলা, যমুনেশ্বরী, ঘাগট, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, করতোয়া নদীর নয়টি পয়েন্টে পানি কমেছে।

তারপরও ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রামে বিপদ সীমার ২৯ সেন্টিমিটার উপরে, যমুনেশ্বরীর পানি বদরগঞ্জে ৭৮ সেন্টিমিটার উপরে, ঘাগট নদীর পানি গাইবান্ধায় ৫০ সেন্টিমিটার উপরে, করতোয়ার পানি চকরহিমপুরে ২০ সেন্টিমিটার উপরে এবং ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারীতে ৪০ সেন্টিমিটার উপরে অবস্থান করছে।

এছাড়া যমুনা নদীর পানি বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদ সীমার ১০২ সেন্টিমিটার, সারিয়াকান্দিতে ১০০ সেন্টিমিটার, কাজীপুরে ও সিরাজগঞ্জে ১৩৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পদ্মা নদীর পানি বেড়ে গোয়ালন্দে বিপদ সীমার ১০৬ সেন্টিমিটার, ভাগ্যকূলে ৪২ সেন্টিমিটার এবং সুরেশ্বরে ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে।

Filed in: বিবিধ