Monday October 19, 6978

আলু রফতানি কমেছে

1277 আলু রফতানি কমেছেবর্তমানে দেশে প্রতি বছর গড়ে ৮৫ লাখ টনের মতো আলু উত্পাদন হলেও রফতানি হচ্ছে সামান্যই। তাও আবার রয়েছে কমতির দিকে। এক বছরের ব্যবধানে আলু রফতানি কমেছে ৫৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ পটেটো এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিইএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ অর্থবছর আলু রফতানি থেকে আয় হয়েছিল ১ কোটি ১৯ লাখ ডলার। গত অর্থবছর তা কমে দাঁড়ায় ৭২ লাখ ডলারে। ৪৫ হাজার টনের মতো আলু রফতানি হয় ২০১৫-১৬ অর্থবছর। যদিও ২০১৩-১৪ অর্থবছর আলু রফতানি হয় ১ লাখ ৩২ হাজার টন, অর্থমূল্যে যা ৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এর মধ্যে রাশিয়ায় রফতানি হয় ৩০ হাজার টন।

রফতানিকারকরা বলছেন, গত অর্থবছর রাশিয়া বাংলাদেশ থেকে আলু আমদানি এক প্রকার বন্ধ করে দেয়। ফলে দেশের আলু রফতানিতে এর বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। গত অর্থবছর রফতানি হওয়া আলুর সিংহভাগ গেছে শ্রীলংকা, ব্রুনাই, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ওমান ও নেপালে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে ৮৫ লাখ টন আলু উত্পাদনের বিপরীতে স্থানীয় চাহিদা ৭০ লাখ টন। আলু উত্পাদনে বিশ্বে অষ্টম অবস্থানে থাকলেও পণ্যটির রফতানি সেভাবে হয় না। সম্প্রতি যে কয়েকটি কৃষিপণ্যের বাড়তি উত্পাদন কৃষকের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তার মধ্যে আলু অন্যতম। কেননা উত্পাদন বাড়াতে যতটা নজর দেওয়া হয়েছে, ততটা মনোযোগ নেই পণ্যটি বিপণনে। বিকল্প ব্যবহারে যেমন উদ্যোগের অভাব রয়েছে, তেমিন প্রক্রিয়াজাত শিল্পে ব্যবহার উপযোগীও করা হচ্ছে না। রফতানি বাজার সম্প্রসারণ না হওয়ায় প্রতি বছরই মজুদ থাকছে আলু। উদ্বৃত্ত আলুর কারণে দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষক। রফতানি বাজার আরো সংকুচিত হলে উত্পাদনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Filed in: কৃষি ও কৃষকের খবর