নিখোঁজ রুশ উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত: ৭১ আরোহীর সবাই নিহত | oknews24 a leading online newsportal
Wednesday August 22, 2018

নিখোঁজ রুশ উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত: ৭১ আরোহীর সবাই নিহত

178 নিখোঁজ রুশ উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত: ৭১ আরোহীর সবাই নিহতমস্কোর একটি বিমান বন্দর থেকে ওড়ার কিছু পরেই ৬৫ জন যাত্রী ও ৬ জন ক্রু নিয়ে একটি রুশ উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে।  আরোহীদের কেউই বেঁচে নেই।

সারাটভ এয়ারলাইন্সের বিমানটি মস্কো থেকে কাজাখস্তান সীমান্তবর্তী রুশ শহর ওরস্কে যাচ্ছিল। আরোহীরা কেউ বেঁচে নেই বলে ধারণা করা হচ্ছে। রুশ জরুরি মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আরটি নিউজ ও ইন্টারফ্যাক্স বার্তা সংস্থা জানায়, ‘‘উড়োজাহাজটি মস্কোর ৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পুবের আরগুনোভো গ্রামের কাছে বিধ্বস্ত হয়। আরোহীদের কারোরই বেঁচে থাকার কোনো আশা একেবারেই নেই।’’

সারাতভ এয়ারলাইন্স পরিচালিত বৃহদাকায় এই মালবাহী উড়োজাহাজটি রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর দোমোদেদোভো এয়ারপোর্ট  থেকে আকাশে উড়াল দেওয়ার দু’মিনিটের মাথায় র‌াডারের আওতার বাইরে চলে যায়। এর পরপরই এটি বিধ্বস্ত হয় বলে জানায় রুশ বার্তা সংস্থা আরটি ও স্পুটনিক।

উড়োজাহাজটি মস্কোর দোমোদেভোদো বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র কাজাখস্তান সীমান্তের কাছের অরস্ক শহরে যাচ্ছিল। তবে কেন ও কীভাবে মাঝ আকাশে বিমানটিতে আগুন লেগেছে তা এখনো জানা যায়নি। এতে ৬৫ জন যাত্রী এবং ছয়জন কর্মী ছিলেন। বিমানবন্দর থেকে ওড়ার পর পরই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, মস্কোর দক্ষিণ-পূর্বদিকের এলাকা আরগুনোভো থেকে তারা জ্বলন্ত বিমানটিকে মাটিতে পড়তে দেখেছেন। উদ্ধার কর্মীরা মস্কোর দক্ষিণ পূর্বে বরফ-ঢাকা মাঠের মধ্যে বিমানটি ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে থাকতে দেখেন।

একটি ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইটে দাবি করা হচ্ছে, বিধ্বস্ত হওয়ার আগে এটি প্রতি মিনিটে এক হাজার মিটার গতিতে নিচে নামছিল। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে রাশিয়ার বিমান আরও দুটি বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে কৃষ্ণসাগরে বিধ্বস্ত হয় একটি বিমান, মারা যায় ৯২ জন।

২০১৫ সালের অক্টোবরে মিশরের সাইনাই এলাকায় আরেকটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মারা যায় ২২৪ জন। তবে সেই ঘটনায় ইসলামিক স্টেট (আইএস) বোমা পেতে রেখে মাঝ আকাশে এটি উড়িয়ে দিয়েছিল বলে দাবি করেছিল।

Filed in: আন্তর্জাতিক